Wednesday, May 27, 2026
Home Blog

ডোপামিন ডিটক্স pdf বই ডাউনলোড

ডোপামিন ডিটক্স pdf বই ডাউনলোড

ডোপামিন ডিটক্স pdf বই ডাউনলোড। আপনি কি কোনো কাজ করতে গড়িমড়ি করেন। প্রায়শই নিজের ভেতরে অস্থিরতা অনুভব করেন এবং এ জন্য হাতে থঅকা কোনো কাজে ফোকাস করতে পারছেন না। আপনার জীবন ইতিবাচক পরিবর্তন করতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলো আপনাকে আকৃষ্ট করতে পারছে না। যদি তাই হয়, খুব সম্ভবত আপনার প্রয়োজন হতে পারে ডোপামিন ডিটক্স ।

আজকের এই দুনিয়ায় আমাদেরকে বিক্ষিপ্ত করার উপাদান এত বিস্তৃত যে আমাদের ফোকান করার বা লক্ষ্যে মনস্থির করার ক্ষমতা অনেক দুষ্প্রাপ্য বস্তু হয়ে গিয়েছে। মনের অজান্তেই আমরা প্রভাবিত হচ্ছি অথবা অস্থির হয়ে পড়ছি। আমাদের গোল বা লক্ষ্য অর্জনের জন্য যখণ আমাদের মূল কাজে ফোকাস হবার দরকার তখন আমরা প্রায়ই দেখতে পাই অপ্রয়োজনীয় অন্য কাজ করার ইচ্ছা আমাদেরকে পেয়ে বসে।

আরও ইসলামিক বই দেখুনঃ

আমাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেসব করা দরকার তার বদলে আমরা হয় হাটঁতে বেড়িয়ে পড়ি অথবা কফি নিয়ে বসি বা তখনি আমাদের ইমেইলগুলো চেক করবার কথা অথবা ফাইলগুলো সাজানোর কথা মনে পড়ে যায়। আমাদের যা একান্তভাবে সেমময় করা দরকার ছিল সেটা ছাড়া বাকি সব কিছু করাকে আমাদের চমৎকার আইডিয়া বলে মনে হয়।

প্রতিদিন এই একই ধারা চলতে থাকার কারণে আমাদের জন্য যা সবচেয়ে বড় লক্ষ্য বা আজীবন দেখে আসা স্বপ্ন ছিল সেটি হাত ফসকে যেতে থাকে। আমরা যতটুকুর যোগ্যতার চেয়ে অনেক কম অর্জন করি যতটুকু দরকার চারচেয়ে অনেক কম পারফর্ম করতে পারি।

ভেতরে থেকে আমরা এই অবস্থাটা বুঝতে পারি এবং আমাদের আত্মসম্মান ক্ষয়ে যেতে থাকে। অতি স্টিমুলাস তথা উদ্দীপক সরিয়ে কাজে যেভাবে ফোকাস ও ধীরস্তির ভাব আনা যায়। সবচেয়ে বড় লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে মুল কাজ করা দরকার সেসবের প্রতি স্বাভাবিকভাবেই মোটিভেটেড থাকা যায় গড়িমগি না করে।

আনপ্রোডাক্টিভ কাজ তথা যেসব কাজ আপনার কোনো উপকারে আসে না সেগুলো সেই সাথে যে জিনিস আপনার মনকে বিক্ষিপ্ত করে সেগুলোকে দূর করে আপনার ফোকাসকে অনেকগুণ বাড়িয়ে তোলা যায়। এসবের যে কোনো একটির প্রতি যদি আপনি আগ্রহী থাকেন, তাহলে এই লেখাটা আপনার পড়া উচিত। আরও পড়তে চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

নিচে ডোপামিন ডিটক্স  pdf  বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

ডোপামিন ডিটক্স pdf বই ডাউনলোড

 

বইয়ের প্রকাশকঃ  রুশদা প্রকাশন 
বইয়ের ধরণঃ   আত্মউন্নয়নমূলক   বিষয়ক 
বইয়ের সাইজঃ 18.14 MB 
প্রকাশ সালঃ  ২০২২ সাল 
বইয়ের লেখকঃ    থিবো মেরিস 
অনুবাদকঃ প্রিতম মুজতাহিদ 

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। শেয়ার করুন সওয়াবের আশায়, কারণ আপনি ভালো কাজে এবং ভালো উদ্দেশ্যে শেয়ার করছেন। আর প্রত্যেক ভালো কাজের বিনিময় আল্লাহ আপনাকে উত্তম বদলা দিবেন।

জানালার ওপাশে pdf বই ডাউনলোড

জানালার ওপাশে pdf বই ডাউনলোড

জানালার ওপাশে pdf বই ডাউনলোড। জানালার ওপাশে
‘হ্যালো’
‘হ্যাঁ, বলো।’
‘আমার মেসেজ পাওনি তুমি?’
“পেয়েছি।’
‘কয়টা পেয়েছো?”
‘গুনিনি।’
‘গুনিনি মানে?’
‘গুনিনি মানে এগজ্যাক্ট বলতে পারব না কয়টা।’
‘এগজ্যাক্ট বলতে হবে না। আনুমানিক বলো।’ ‘সাত-আটটা হবে।’
‘রিপ্লাই দাওনি কেন?’
‘কি রিপ্লাই দিব?’
“কি রিপ্লাই দিব মানে! মেসেজের রিপ্লাই দেবে।’ “সেটাই তো। মেসেজের কি রিপ্লাই দিব!’
‘তুমি…. তুমি….তুমি একটা…।

ওপাশ থেকে ফোন কাটার শব্দ হলো। তারপরও অযথাই মোবাইল ফোনটা কানে চেপে বসে থাকে রাতুল। রাতুলের মাথার ওপর সিলিংফ্যানটা . ভীষণ শব্দে ঘুরছে। এই শব্দে রাতুলের অস্বস্তি লাগে। তার এক ধরনের Akousticophobia আছে। Akousticophobia হলো শব্দাতঙ্ক। তার কেবল ফ্যানের এই তীব্র শো শো শব্দ সহ্য হয় না। কেমন অস্বস্তি লাগে। এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করে। মনে হয়, ফ্যানটা সিলিং থেকে ছুটে যে কোনো মুহূর্তে মাথায় পড়বে। এইসময় ফোনটা আবার বাজলো। রাতুল ফোনের স্ক্রিন না দেখেও জানে, আনিকা। একটু আগে সে রেগেমেগে ফোন কেটে দিয়েছিল। 

আরও বই দেখুনঃ

এখন আবার করেছে। আবার কেটে দিবে। আবার করবে। এই কাটাকুটি খেলা আজ চলতেই থাকবে।
“হ্যাঁ, বলো।’
‘হ্যাঁ বলো মানে?’ আনিকার কণ্ঠে ঝাঁঝ।
রাতুল জবাব দেয় না। চুপ করে থাকে। জানালায় হেলান দিয়ে আরাম করে বসে। সে জানে, এখন সে যাই বলবে, আনিকা তার সবকিছুরই মানে জানতে চাইবে। অথচ যার কোনো মানেই নেই ।
“কি হলো? কথা বলছো না কেন?’ আনিকার কণ্ঠে ঝাঁঝ খানিকটা বাড়ে ।
‘বলো,
শুনছি।’

‘বলো শুনছি মানে? তোমাকে আমি একটা প্রশ্ন করেছি। জবাব দাও।’
‘জবাব দেব। কিন্তু তার আগে তোমাকে স্বাভাবিক হতে হবে।’
‘স্বাভাবিক হতে হবে মানে! স্বাভাবিক হতে হবে মানে কি?’ আনিকার গলার স্বর সপ্তমে চড়ে। ‘তুমি কি বলতে চাইছো? কি বলতে চাইছো তুমি? আমি অস্বাভাবিক? আমি অসুস্থ? আমি পাগল?’

আনিকা ফোন কেটে দেয়। রাতুল ফোন কানে চেপে ধরে বসে থাকে। কথা শেষ হবার পরও ফোন কানে ধরে থাকার একটা বিশেষ মজা আছে। এই মজাটা রাতুল টের পায়। তার কেন যেন মনে হয়, এই নিঃশব্দ ফোনে সে অনেকগুলো কণ্ঠ শুনতে পায়। এলোমেলো কণ্ঠ। সে এই কণ্ঠগুলো ধরতে চেষ্টা করে । কথাগুলো বুঝতে চেষ্টা করে। কিন্তু পারে না।
আবারো ফোন বাজছে। রাতুল ফোনটা টেবিলের উপর রেখে দেয়।

নিচে জানালার ওপাশে pdf  বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

জানালার ওপাশে pdf বই ডাউনলোড

বইয়ের প্রকাশকঃ   
বইয়ের ধরণঃ   উপন্যাস বিষয়ক 
বইয়ের সাইজঃ 10.5 MB 
প্রকাশ সালঃ  ২০১৩ সাল 
বইয়ের লেখকঃ    সাদাত হোসাইন 
অনুবাদকঃ  

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। 

ইন্দুবালা ভাতের হোটেল pdf বই ডাউনলোড

ইন্দুবালা ভাতের হোটেল pdf বই ডাউনলোড

ইন্দুবালা ভাতের হোটেল pdf বই ডাউনলোড। কুমড়ো ফুলের বড়া। জানলার কাছে বসন্তের নরম রোদে সার দিয়ে সাজানো আছে কাঁচের বড় বড় বয়াম। মুখ গুলো ঢাকা আছে পরিষ্কার সাদা কাপড়ের ফেট্টিতে। বয়াম গুলোকে বাইরে থেকে দেখলে বোঝা যায় না তার মধ্যে কি রসদ লুকিয়ে আছে। কিন্তু যারা এই বাড়িতে রোজ ভাত খেতে আসে তারা ঠিক জানে। ভাতের পাতে লেবু, নুন, লঙ্কা দেওয়ার পাশাপাশি উড়ে বামুন ধনঞ্জয় একটু করে শালপাতায় ছুঁয়ে দিয়ে যায় বয়ামের সেই লুকোনো সম্পদ।

কামরাঙা, কতবেল, জলপাই কিম্বা কোনদিন পাকা তেঁতুলের আচার। নতুন কাস্টমাররা অবাক হয়ে যায়। আর পুরোনো লোকেরা ভাবে আজ কোনটা পাতে আসবে? শুধু আচারের টানেই না, এই হোটেলে ভিড় লেগে থাকে পুব বাঙলার এক বিধবা মহিলার হাতের রান্না খেতে। ইন্দুবালা কবে যে এই ভাতের হোটেল শুরু করেছিলেন আর কেন করেছিলেন নিজেও ঠিক মনে করতে পারেন না।

আরও বই দেখুনঃ

তবু ভাসা ভাসা ছবির মতো মনে পড়ায় অনেক কিছু। শুধু সেবার যখন কোলের এক মেয়ে আর ছোট্ট দুই ছেলেকে নিয়ে বিধবা হলেন। সেদিন থেকে বুঝতে শুরু করেছিলেন যারা এতোদিন ঘিরে রাখতো তাদের। সুযোগ সুবিধাটা ঠিক মতো আদায় করে নিয়ে যেত তারাই এখন ছায়ার মতো সরে যাচ্ছে। স্বামীর জুয়া আর মদের নেশায় এতোদিন যারা আট-কপাটি পর্যন্ত বিক্রি করার সায় দিয়েছিলো তাদেরও আর দেখা গেল না বড় একটা।
তখনও খুলনা থেকে মাঝে মাঝে ভাইরা এসে খোঁজ খবর নিয়ে যেত। মা পোঁটলা করে পাঠাতো ভাজা চিড়ে, মুড়ি, বাড়ির সজনের ডাটা, চুইঝাল।

তারপর সেটাও বন্ধ হল। যুদ্ধ বাধলো। ভাইদের অনেক দিন কোন খোঁজ পেলেন না। একদিন সকাল বেলায় গাঁয়ের থেকে পালিয়ে আসা এক লোকের কথায় জানতে পারলেন পুড়িয়ে দিয়েছে সব কিছু পাকিস্তানী মিলিটারীরা। মা, ভাই, বোন আর কেউ বেঁচে নেই। এমনকি ভিটে বাড়িটাও। স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা যেদিন উড়লো। ইন্দুবালা নীচের ঘর ঝাঁট দিয়ে উনুন ধরালেন। ভাড়ারে চাল ছিল বাড়ন্ত। ছেলে মেয়ে গুলো ক্ষিদের জ্বালায় তারস্বরে কাঁদছিল।

পাওনাদার দাঁড়িয়েছিল রাস্তায়। লছমি মাছওয়ালী শেষ বাজারে একটু তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরছিলো। আর থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছিল পুরনো দোতলা বাড়িটার সামনে। একটা বছর পঁচিশের মেয়ে সদ্য বিধবার সাদা ধবধপে শাড়িতে এলোচুলে চুপ করে বসে আছে ধরে ওঠা উনুনটার সামনে। উনুনে গুলের আঁচে ফর্সা মেয়েটার মুখ লাল হয়ে আছে। ওদিকে দূরে দাঁড়িয়ে আছে চিল শকুনের মতো পাওনাদাররা। লছমীর যেন কি একটা মনে হয়েছিল সেই মুহূর্তে। একটুও সময় নষ্ট করেনি সে। সোজা এসে দাঁড়িয়েছিল ইন্দুবালার সামনে।

নিচে ইন্দুবালা ভাতের হোটেল pdf  বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

ইন্দুবালা ভাতের হোটেল pdf বই ডাউনলোড

বইয়ের প্রকাশকঃ  সুপ্রকাশ 
বইয়ের ধরণঃ   উপন্যাস বিষয়ক 
বইয়ের সাইজঃ 5.25 MB 
প্রকাশ সালঃ  ২০২০ সাল 
বইয়ের লেখকঃ    কল্লোল লাহিড়ী
অনুবাদকঃ  

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। 

আরশিনগর pdf বই ডাউনলোড

আরশিনগর pdf বই ডাউনলোড

আরশিনগর pdf বই ডাউনলোড। ছেলেবেলার দীর্ঘসময়জুড়ে যে ভয়ঙ্কর নেশায় বুঁদ হয়ে ছিলাম, তার নাম ‘কেরছা’। কেরছা মানে, কেচ্ছা, কিস্সা বা গল্প। সেই কেরছা শোনার তেষ্টা এতটাই প্রবল এবং ভয়ানক ছিল যে শেষ অবধি বড়রা কেউই আর রাতে আমাকে সঙ্গে ঘুমাতে নিতে চাইতেন না। রাত জেগে ঘুম নষ্ট করে এই ‘কেরছা’ শোনানোর হ্যাপা কে সামলাবে! অনেকেই নানান ফন্দি-ফিকির করে পালাতে চাইতেন।

তবে সবচেয়ে বড় ফন্দিটা করতেন আমার মামা। তিনি তার কেচ্ছা শুরু করতেন বাঘ আর খরগোশের কাহিনী দিয়ে। সেই কাহিনীতে বাঘের ভয়ে খরগোশ গর্তে লুকিয়েছে। গর্ত থেকে খরগোশ আর বের হচ্ছে না। মামাও আর গল্প বলছেন না।

আরও বই দেখুনঃ

‘তারপর কী হলো’ জিজ্ঞেস করলেই মামা হাসিমুখে জবাব দেন, ‘কী করে বলব! খরগোশ তো এখনও গর্ত থেকেই বের হয়নি। গর্ত থেকে না বের হলে কীভাবে বলব!’ বলাই বাহুল্য, গল্পের সেই খরগোশ কদাচিৎ বের হতো! এমন নানান ‘কেরছাভঙ্গে’ শুরু হলো নিজেরই কেরছা বলার বয়স। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, বাচ্চাকাচ্চাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেরছা শুনিয়ে বসিয়ে রাখতে পারতাম। এবং সেইসব কেরছার বেশিরভাগই তাৎক্ষণিক মুখে মুখে বানানো।

তারাও চোখ বড় বড় করে মুগ্ধ হয়ে শুনত। একসময় আবিষ্কার করলাম, এই কেরছাগুলো যে আমার নিজের বানানো তা আমি ভুলে যাচ্ছি। অনেক দিন পর হঠাৎ হঠাৎ মনে হতো, ‘এই কেরছাটা কই যেন পড়েছি! কোন বইতে!’ কিংবা মনে হতো, ‘এই ঘটনাগুলো আমি কোথাও শুনেছি বা দেখেছি! এগুলো আমার বানানো না। এগুলো সত্যি! কী অদ্ভুত ব্যাপার, সত্যি এবং মিথ্যে (কল্পনা)গুলো কী বিস্ময়করভাবেই না এক হয়ে যেত! আসলে ঘটনা কী? আসলে ঘটনা কিছুই না।

ঘটনা হচ্ছে প্রতিটি মানুষের মনের ভেতর অজস্র জগৎ থাকে, সেই প্রতিটি জগতের নিয়ন্তা সে নিজে। সেখানে তার অবাধ স্বাধীনতা, অসীম শক্তি, অপার অনুভূতি । ‘আরশিনগর’ আমার বুকের ভেতরের তেমনি একটি জগতের ‘কেরছা’। যেই জগতের নিয়ন্তা আমি নিজে! অপার ক্ষমতা শুধুই আমার! কিন্তু আসলেই কি তাই!!

এই পর্যন্ত এসে মনে হলো, আসলেই কি তাই? আসলেই কি একজন লেখক হয়ে উঠতে পারেন তার গল্পের মহাপরাক্রমশালী নিয়ন্ত্রক! আসলেই কি তার সৃষ্ট চরিত্রগুলোকে, গল্পগুলোকে ইচ্ছেমতো নিয়ন্ত্রণ করার পরিপূর্ণ ক্ষমতা তার থাকে? নাকি কখনও কখনও কিছু চরিত্র, কিছু ঘটনা হয়ে ওঠে স্বাধীন। নিয়ন্ত্রণহীন। অবাধ্য। সদম্ভে করে চলে যায় লেখকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে! হয়ে ওঠে স্বাধীন এক সত্তা? আমার কিন্তু তাই মনে হয়।

নিচে আরশিনগর pdf  বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

আরশিনগর pdf বই ডাউনলোড

বইয়ের প্রকাশকঃ   
বইয়ের ধরণঃ   উপন্যাস বিষয়ক 
বইয়ের সাইজঃ 12.5 MB 
প্রকাশ সালঃ  ২০১৫ সাল 
বইয়ের লেখকঃ    সাদাত হোসেইন 
অনুবাদকঃ  

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। 

উত্তর খন্ড pdf বই ডাউনলোড

উত্তর খন্ড pdf বই ডাউনলোড

উত্তর খন্ড pdf বই ডাউনলোড। ‘উত্তরখণ্ড’ প্রকাশ আমার ব্যর্থতারই নামান্তর। দুই হাজার আট সালে ‘আমহমদ ছফা রচনাবলি’ আট খণ্ডে প্রকাশ পেয়েছিল। তখন ধরে নিয়েছিলাম আহমদ ছফা রচনাবলি সীমানা আমরা এঁকে দিতে পেরেছি। এরকম মনে করার যথেষ্ট কারণ ছিল। ওই সময় আমি ‘আহমদ ছফা রচনাবলি’ সম্পাদনা করতে গিয়ে আমার পরিশ্রমকে আমি একটুও খাটো করে দেখিনি।

আমি একটানা এক বছরের অধিক সময় নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে এই রচনাবলি প্রকাশের পেছনে ব্যয় করেছিলাম। আহমদ ছফার রচনা লুকিয়ে থাকার সম্ভাব্য জায়গাগুলো আমি তন্নতন্ন করে খুঁজেছি। যেখানে তাঁর রচনা আছে সন্ধান পেয়েছি ছুটে গিয়েছি। খাঁটুনিটা এত বেশি করেছি যে, ওই সময় আট খণ্ডের বাইরের আর কোন রচনা পাওয়া যাবে সেটা একবারের জন্যও আমার মাথায় আসেনি।

আরও বই দেখুনঃ

আহমদ ছফা রচনাবলি সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে পেরেছি এ মর্মে তৃপ্তির ঢেকুর তুলছিলাম। পরে পরে টের পেতে থাকলাম সন্তুষ্টি লাভ করার মত কাজ অল্পই করেছি। লক্ষ করতে থাকলাম আহমদ ছফার লেখা আরো নানা জায়গায় নানাভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এ সমস্ত লেখা একত্রিত করার মানসে শেষাবধি আমাকে ‘আহমদ ছফা রচনাবলি উত্তরখণ্ড’ প্রকাশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়েছে।

‘উত্তরখণ্ড’ থেকে পাঠক আহমদ ছফা সম্পর্কে একটা অন্যরকম ধারণা লাভ করবেন। আহমদ ছফার লেখকজীবনের প্রথম এবং শেষের দিককার লেখার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার একটা অপূর্ব সুযোগ এই খণ্ডে পাওয়া যাবে। তাঁর মাঝামাঝি সময়ের কোন রচনা এ খণ্ডে তেমন একটা নেই বললেই চলে। আমরা কমবেশি জানি, আহমদ ছফার প্রথম লেখা প্রকাশ পেয়েছিল অধ্যাপক শাহেদ আলী সম্পাদিত ‘সবুজপাতা’ পত্রিকায়। লেখাটি ছিল শিশু-কিশোরদের জন্য লেখা একটি ছোটগল্প। নাম ‘অপূর্ব বিচার’।

গল্পটি ‘সবুজপাতা’য় প্রকাশিত হওয়ার পর অধ্যক্ষ মিন্নাত আলী নিজের নামে অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। বইটি তিনিই সম্পাদনা করেছিলেন। নিজের লেখা অন্যের নামে ছাপা দেখে আহমদ ছফা ক্ষিপ্ত হয়ে তার নামে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন এবং তিন হাজার টাকা রয়্যালিটিও তিনি আদায় করে

নিচে উত্তর খন্ড pdf  বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

উত্তর খন্ড pdf বই ডাউনলোড

বইয়ের প্রকাশকঃ   
বইয়ের ধরণঃ   উপন্যাস বিষয়ক 
বইয়ের সাইজঃ 15.5  MB 
প্রকাশ সালঃ  ২০১১ সাল 
বইয়ের লেখকঃ    আহমদ ছফা 
অনুবাদকঃ  

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। 

সত্যকথন pdf বই ডাউনলোড

সত্যকথন pdf বই ডাউনলোড

সত্যকথন pdf বই ডাউনলোড। আমি রুমে ঢুকেই দেখি সাজিদ কম্পিউটারের সামনে উবু হয়ে বসে আছে। খটাখট কি যেন টাইপ করছে হয়তো। আমি জগ থেকে পানি ঢালতে লাগলাম। প্রচন্ড রকম তৃষ্ণার্ত। তৃষ্ণায় বুক ফেটে যাবার জোগাড়। সাজিদ কম্পিউটার থেকে দৃষ্টি সরিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,- ‘কি রে, কিছু হইলো?’ আমি হতাশ গলায় বললাম,- ‘নাহ।’

-“তার মানে তোকে একবছর ড্রপ দিতেই হবে?’- সাজিদ জিজ্ঞেস করলো। আমি বললাম,- ‘কি আর করা। আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। সাজিদ বললো,- ‘তোদের এই এক দোষ, বুঝলি? দেখছিস পুওর এ্যাটেন্ডেন্সের জন্য এক বছর ড্রপ খাওয়াচ্ছে, তার মধ্যেও বলছিস, আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। ভাই, এইখানে কোন ভালোটা তুই পাইলি, বলতো?’

আরও বই দেখুনঃ

সাজিদ সম্পর্কে কিছু বলে নেওয়া দরকার। আমি আর সাজিদ রুমমেট। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রো বায়োলজিতে পড়ে।প্রথম জীবনে খুব ধার্মিক ছিলো।নামাজ-কালাম করতো। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কিভাবে কিভাবে যেন এগনোষ্টিক হয়ে পড়ে। আস্তে আস্তে স্রষ্টার উপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে এখন পুরোপুরি নাস্তিক হয়ে গেছে। ধর্মকে এখন সে আবর্জনা জ্ঞান করে।তার মতে পৃথিবীতে ধর্ম এনেছে মানুষ। আর ‘ইশ্বর’ ধারনাটাই এইরকম স্বার্থান্বেষী কোন মহলের মস্তিষ্কপ্রসূত।

সাজিদের সাথে এই মূহুর্তে তর্কে জড়াবার কোন ইচ্ছে আমার নেই। কিন্তু তাকে একদম ইগনোর করেও যাওয়া যায়না। আমি বললাম,- ‘আমার সাথে তো এর থেকেও খারাপ কিছু হতে পারতো, ঠিক না?” “আরে, খারাপ হবার আর কিছু বাকি আছে কি?’ ‘হয়তো।’

• ‘যেমন?’
– ‘এরকমও তো হতে পারতো, ধর, আমি সারাবছর একদমই পড়াশুনা করলাম না। পরীক্ষায় ফেইল মারলাম। এখন ফেইল করলে আমার এক বছর ড্রপ যেতো।হয়তো ফেইলের অপমানটা আমি নিতে পারতাম না। আত্মহত্যা করে বসতাম।’ সাজিদ হা হা হা হা করে হাসা শুরু করলো। বললো,- ‘কি বিদঘুটে বিশ্বাস নিয়ে চলিস রে ভাই।’

নিচে সত্যকথন pdf  বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

সত্যকথন pdf বই ডাউনলোড

বইয়ের প্রকাশকঃ   
বইয়ের ধরণঃ   উপন্যাস বিষয়ক 
বইয়ের সাইজঃ 15.5  MB 
প্রকাশ সালঃ   
বইয়ের লেখকঃ    কাসেম বিন আবুবাকার 
অনুবাদকঃ  

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। 

প্রেম pdf বই ডাউনলোড

প্রেম pdf বই ডাউনলোড

প্রেম pdf বই ডাউনলোড। বাংলাদেশের অর্ধ লক্ষাধিক গ্রামের মধ্যে কুমিল্লা জেলার শোভারামপুর অন্যতম। গ্রামটার দক্ষিণে বিশাল ধানের মাঠ, উত্তর দিকে তিতাস নদী পূর্ব-পশ্চিমে প্রবাহিত। তখন শীতকাল, উত্তরে বাতাস পাকা ধান গাছের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় সোনালি ঢেউয়ের সৃষ্টি করছে। চাষীরা ধান কাটতে ব্যস্ত। তখন বেলা প্রায় দশটা। এই গ্রামের ছেলে আনিসুর রহমান।

তার ডাক নাম পারভেজ, সে মাঠের ধারে বড় রাস্তার একটা শিরীষ গাছের তলায় বসে গভীর চিন্তায় মগ্ন। কেউ দেখলে ভাববে রোদ পোহাচ্ছে, কিন্তু পারভেজ নিজের পড়াশোনার ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করতে করতে বাস্তব জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে।

আরও বই দেখুনঃ

এমন সময় তার অন্তরঙ্গ বন্ধু জসিম এসে তাকে ঐ ভাবে বসে থাকতে দেখে তার নাম ধরে দু’তিনবার ডাকল।
পারভেজ বাস্তব জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে বলে বন্ধুর ডাক শুনতে পেল না। তাই দেখে জসিম একটু নিচু হয়ে পারভেজের একটা কাঁধে হাত রেখে নাড়া দিয়ে বলল, কিরে পারভেজ, এত গভীরভাবে কি এমন ভাবছিস, আমার ডাক শুনতে পেলি না?।

পারভেজ কোনো কথা না বলে শুধু তার মুখের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে
রইল। জসিম আবার বলল, কিরে কথা বলছিস না কেন? দশটা বাজে হুঁশ নেই বুঝি? স্কুলে যাবি না?
এবার পারভেজ বাস্তবে ফিরে এসে প্রথমে সালাম দিল। তারপর একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বলল, না, আজ স্কুলে যাব না ।

জসিম সালামের উত্তর দিয়ে বলল, কেন? তোদের বাড়িতে কি কিছু হয়েছে? পারভেজ বলল, কিছু হোক বা না হোক তা তোর জানার দরকার নেই। সেটা আমাদের পারিবারিক ব্যাপার । জসিম আহতস্বরে বলল, তুই একথা বলতে পারলি? তোদের পরিবারের কোনো কিছু তো আমার অজানা নয়। পারভেজ চিন্তার মধ্যে ছিল বলে কথাটা বলে ফেলেছে। জসিমের কথায় ভুল বুঝতে পেরে বলল, তুই কিছু মনে করিসনি, আজ মনটা ভাল নেই। মাফ করে দে ভাই।

জসিম বলল, কেন তোর মন খারাপ, না শোনা পর্যন্ত মাফ করব না। পারভেজ যেদিন রামকৃষ্ণপুর হাই স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয়, সেই দিনই জসিমের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। জসিম ছাত্র হিসাবে ভাল না হলেও তার আচারctiv ব্যবহার, স্বভাব-চরিত্র খুব সুন্দর। তার আর একটা বড় গুণ হল, ছোটবেলা থেকে খুব to মাধবপুরে বাঁশী বাজাতে পারে। তার বাঁশীর সুর শুনে ছোট বড় সবাই মুগ্ধ হয়।

নিচে প্রেম pdf  বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

প্রেম pdf বই ডাউনলোড

বইয়ের প্রকাশকঃ   
বইয়ের ধরণঃ   উপন্যাস বিষয়ক 
বইয়ের সাইজঃ 25.5 MB 
প্রকাশ সালঃ   
বইয়ের লেখকঃ    কাসেম বিন আবুবাকার 
অনুবাদকঃ  

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। 

অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী pdf বই ডাউনলোড

অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী pdf বই ডাউনলোড

অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী pdf বই ডাউনলোড। তোমার একটি নাম আছে। তোমাকে বাড়িতে ওই নাম ধরে সবাই ডাকে। তোমার মা- বাবা-ভাই-বোন-আত্মীয়স্বজন পাড়ার লোক সবাই। ক্লাসের হাজিরা খাতায় ওই নামটি লেখা হয়েছে। ওই নামে লোকে তোমার কাছে চিঠিপত্র লেখে। এই পত্র লেখকদের অনেকেই নিজেদের নাম-ধাম উহ্য রেখে মনের গহন কথাটি প্রকাশ করে থাকে।

তোমার মা অত্যন্ত সতর্ক এবং সাবধানী মহিলা। তাঁর ঘ্রাণশক্তি অত্যন্ত প্রখর। এই ধরনের চিঠি তাঁর হাতে পড়া মাত্রই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করতে পারেন, ভেতরের কাগজে দাহ্য পদার্থ রয়েছে। তিনি কালবিলম্ব না করে এই উড়ে আসা চিঠিগুলো গ্যাসের চুলোয় জ্বালিয়ে ফেলেন। কখনো-সখনো তোমার মায়ের সতর্ক চোখের ফাঁক দিয়ে কোনো চিঠি তোমার হাতে এসে পড়ে।

আরও বই দেখুনঃ

তুমি অত্যন্ত মাতৃভক্ত মেয়ে। কোনো ব্যাপারে মায়ের অবাধ্য হওয়ার কথা তুমি স্বপ্নেও চিন্তা করতে পারো না। তারপরও ওই চিঠিগুলোর প্রতি তুমি মায়ের মতো নিষ্ঠুর হয়ে উঠতে পারো না। কারণ, বুঝে ফেলেছো, তোমার এখন চিঠি আসার বয়স। যেসব চিঠি তোমার হাতে পড়ে, তোমার মা যাতে ঘুণাক্ষরেও টের না পান, অত্যন্ত সন্তর্পণে সেজন্যে বাথরুমে গোসল করার সময় মর্ম উদ্ধার করতে চেষ্টা করো। অধিকাংশ আজেবাজে চিঠি, ফাত্রা কথায় ভর্তি।

কারা এসব লেখে তাদের অনেককেই তুমি চেনো। যাওয়া-আসার পথে অনেকের সঙ্গেই তোমার দেখা হয়। এই ধরনের কুপাঠ্য চিঠি পড়ার পর তোমার নিজের ওপর রাগ বাড়তে থাকে এবং শরীর গুলিয়ে ওঠে। খুব ভালো করে সুগন্ধি সাবান দিয়ে ঘষে ঘষে গোসল করার পরও তোমার মধ্যে একটা অপবিত্র ভাব, একটা অস্বস্তিকর অনুভূতি কাজ করতে থাকে। একটা পীড়িত ভাব তোমাকে আচ্ছন্ন করে রাখে ।

মাঝে মাঝে এমন চিঠিও আসে, পড়ার পর পুকুরে ঢিল ছুঁড়লে যেমন লহরি খেলে, তেমনি তোমার মনেও তরঙ্গ ভাঙতে তাকে। এই পত্র লেখককে মনে হয় তুমি চেনো। কালো কালির অক্ষরে তার চোখের দৃষ্টি, মুখের ভাব দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। তুমি নিজে খুব।

নিচে pdf অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী pdf বই ডাউনলোড

বইয়ের প্রকাশকঃ   
বইয়ের ধরণঃ   উপন্যাস  বিষয়ক 
বইয়ের সাইজঃ 13.5 MB 
প্রকাশ সালঃ   
বইয়ের লেখকঃ    আহমদ ছফা 
অনুবাদকঃ  

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। 

হারানো লেখা pdf বই ডাউনলোড

হারানো লেখা pdf বই ডাউনলোড

হারানো লেখা pdf বই ডাউনলোড। একজন বড় মানুষের মূল্যায়ন একদিন, এক বছর বা একযুগে করা অনেক সময় অসম্ভব। মৃত্যুর অনেকদিন পর পর্যন্ত ইতিহাসে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা চলতে থাকে। নেপোলিয়ানের ভূমিকা সম্পর্কে বিতর্ক এখনও সমানে চলছে।  জর্জ ওয়াশিংটনের ব্যাপারে বির্তকের এখনও অবসান হয়নি। ফরাসি বিপ্লবের নায়ক রোবস্ পিয়ার এবং দাঁতোর পক্ষে বিপক্ষে ঐতিহাসিকরা এখনও নানারকম রায় দিয়ে যাচ্ছেন।

আমার ধারণা শেখ মুজিবুর রহমান এই ধরনের একজন বড় মাপের মানুষ। এ অঞ্চলের ইতিহাসে তিনি যে বিরাট ভূমিকা পালন করে গেছেন তা ভারত উপমহাদেশের পূর্বদিকের ভূখণ্ডসমূহে অনেকবার পরিবর্তন এবং রূপান্তর ঘটাবে। শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্যদিয়ে ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসের একটি ভিন্নমুখি প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল এবং জোরদার হয়েছে।

আরও বই দেখুনঃ

শেখ মুজিবের রাজনৈতিক অনুসারীরা এটা সমর্থন করবেন কি করবেন না সেটা বড় কথা নয় । বিরোধীরা শেখের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের কতদূর স্বীকৃতি দেবেন সেটাও ধর্তব্যের বিষয় নয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে যে সমস্ত ঘটনা এ উপমহাদেশে ঘটছে, নিরপেক্ষ বিচারেও সেগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের প্রতিক্রিয়া জড়িত না করে উপায় নেই ।

বাংলাদেশের প্রনিধানযোগ্য পরিচয় হল বাংলাদেশ একটি ভাষাভিত্তিক জাতীয় রাষ্ট্র। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পরে প্রত্যেকটি সরকার জাতীয় রাষ্ট্র পরিচয় পাশ কাটিয়ে নানারকম পরিচয় চিহ্ন আবিষ্কার করতে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তার কোনটিই ধোপে টেকেনি। ভাষাভিত্তিক জাতীয় রাষ্ট্র—–এ পরিচিত এড়িয়ে গিয়ে অন্যকোন পরিচয়ে বাংলাদেশকে চিহ্নিত করার উপায় নেই।

সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে এ উপমহাদেশে বাংলাদেশই হচ্ছে যথার্থ অর্থে একটি রাষ্ট্র যা ইউরোপের জাতীয় রাষ্ট্রসমূহের মত অনেকটা একই রকম বৈশিষ্ট্যের ধারকবাহক। ভারত-পাকিস্তান রাষ্ট্রের ভিত্তিমূল যথেষ্ট রকমের সূদৃঢ় নয়। আজ পর্যন্ত ভারত এবং পাকিস্তান সেসব দেশের সর্বসাধারণের বোধগম্য একটি জাতীয় ভাষা চালু করতে পারেনি। ভারতের শিক্ষিত জনসাধারণ ইংরেজির মাধ্যমেই পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। এ ভাষাটা ভারতের কোন অঞ্চলেরই জনগণের মুখের ভাষা নয়। সুতরাং যোগাযোগ রক্ষার এ পদ্ধতিটা সম্পূর্ণভাবেই।

নিচে pdf হারানো লেখা বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

হারানো লেখা pdf বই ডাউনলোড

বইয়ের প্রকাশকঃ   
বইয়ের ধরণঃ   উপন্যাস  বিষয়ক 
বইয়ের সাইজঃ 13.5 MB 
প্রকাশ সালঃ  ২০১৫ সাল 
বইয়ের লেখকঃ    আহমদ ছফা 
অনুবাদকঃ  

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। 

গাভী বিত্তান্ত pdf বই ডাউনলোড

গাভী বিত্তান্ত pdf বই ডাউনলোড

গাভী বিত্তান্ত pdf বই ডাউনলোড। শিবু জুনায়েদের উপাচার্য পদে নিয়োগপ্রাপ্তির ঘটনাটি প্রমাণ করে দিল আমাদের এই যুগেও আশ্চর্য ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা ফ্যাকাল্টির সদস্যবৃন্দ আবু জুনায়েদের উপাচার্যের সিংহাসনে আরোহণের ব্যাপারটিকে নতুন বছরের সবচাইতে বড় মজার কাণ্ড বলে ব্যাখ্যা করলেন। আবু জুনায়েদ স্বয়ং বিস্মিত হয়েছেন সবচাইতে বেশি।

আবু জুনায়েদের বেগম নুরুন্নাহার বানু খবরটি শোনার পর থেকে আণ্ডাপাড়া মুরগির মতো চিৎকার করতে থাকলেন । তিনি সকলের কাছে বলে বেড়াতে লাগলেন যে তাঁর ভাগ্যেই আবু জুনায়েদ এমন এক লাফে অত উঁচু জায়গায় উঠতে পারলেন। কিছু মানুষ অভিনন্দন জানাতে আৰু জুনায়েদের বাড়িতে এসেছিলেন। নুরুন্নাহার বানু তাঁদের প্রায় প্রতিজনের কাছে তাঁর সাত বিচার হওয়ার পর থেকে কী করে একের পর এক আবু জুনায়েদের ভাগ্যের দুয়ার খুলে যাচ্ছে সে কথার পাঁচ কাহন করে বলেছেন।

আরও বই দেখুনঃ

অমন ভাগ্যবতী বেগমের স্বামী না হলে, একদম বিনা দেন-দরবারে দেশের সবচাইতে প্রাচীন, সবচাইতে সম্ভ্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদটি কী করে আবু জুনায়েদের ভাগ্যে ঝরে পড়তে পারে! যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই মুখে কিছু না বললেও মনে মনে মেনে নিতে দ্বিধা করেননি যে একমাত্র স্ত্রী ভাগ্যেই এরকম অঘটন ঘটতে পারে।

শিক্ষক হিসেবে আবু জুনায়েদ ছিলেন গোবেচারা ধরনের মানুষ। গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডিপার্টমেন্টে বা ডিপার্টমেন্টের বাইরে তাঁর সঙ্গে কারো বিশেষ বন্ধুত্ব ছিল না। আর আবু জুনায়েদ স্বভাবের দিক দিয়ে এত নিরীহ ছিলেন যে তাঁর সঙ্গে শত্রুতা করলে অনেকে মনে করতেন, শত্রুতা করার ক্ষমতাটির বাজে খরচ করা হবে। তাই গোটা বিশ্ববিদ্যালয় পাড়ায় তাঁর বন্ধু বা শত্রু কেউ ছিলেন না।

আমাদের দেশের সবচাইতে প্রাচীন এবং সবচাইতে সম্ভ্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয়টি হাল আমলে এমন এক রণচণ্ডী চেহারা নিয়েছে। এখানে ধন প্রাণ নিয়ে বেঁচে থাকা মোটেই নিরাপদ নয়। এখানে যখন তখন মিছিলের গর্জন কানে ঝিম ধরিয়ে দেয়। দুই দলের বন্দুক যুদ্ধে যদি পুলিশ এসে পড়ে সেটা তখন তিন দলের বন্দুক যুদ্ধে পরিণত হয়। কোমলমতি বালকেরা যেভাবে চীনা কুড়াল দিয়ে অবলীলায় তাদের বন্ধুদের শরীর থেকে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, সেই দক্ষতা ঠাঁটারি।

নিচে গাভী বিত্তান্ত pdf  বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

গাভী বিত্তান্ত pdf বই ডাউনলোড

বইয়ের প্রকাশকঃ  সন্দেশ প্রকাশক 
বইয়ের ধরণঃ   উপন্যাস  বিষয়ক 
বইয়ের সাইজঃ 9.86 MB 
প্রকাশ সালঃ  ১৯৯৫ সাল 
বইয়ের লেখকঃ    আহমদ ছফা 
অনুবাদকঃ  

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। 

Show Social Site
Hide Social Site