বরফ গলা নদী pdf বই ডাউনলোড

864
বরফ গলা নদী pdf বই ডাউনলোড

বরফ গলা নদী pdf বই ডাউনলোড। উত্তরের জানালাটা ধীরে ধীরে খুলে দিলো লিলি। একঝলক দমকা বাতাস ছুটে এসে আলিঙ্গন করলো তাকে। শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে খসে পড়লো হাতের উপর। নিকষ কালো চুলগুলো ঢেউ খেলে গেলো। কানের দুলজোড়া দোলনের মতো দুলে উঠলো। নীলরঙের পর্দাটা দু-হাতে টেনে দিলো সে।

তারপর বইয়ের ছোট আলমারিটার পাশে, যেখানে পরিপাটি করে বিছানো বিছানার ওপর দু-হাত মাথার নিচে দিয়ে মাহমুদ নীরবে গুয়ে, সেখানে এসে দাঁড়ালো লিলি। আস্তে করে বসলো তার পাশে। ওর দিকে ক্ষণকাল তাকিয়ে থেকে মাহমুদ বলল, আমি যদি মারা যেতাম তাহলে তুমি কী করতে লিলি ? আবার সে কথা ভাবছো ? ওর কণ্ঠে ধমকের সুর।

আরও বই দেখুনঃ

মাহমুদ আবার বলল, বলো না, তুমি কী করতে ? কাঁদতাম। হলো তো ? একটু নড়েচড়ে বসলো লিলি। হাত বাড়িয়ে মাহমুদের চোখজোড়া বন্ধ করে দিয়ে বলল, তুমি ঘুমোও। প্লিজ ঘুমোও এবার। নইলে শরীর খারাপ হয়ে যাবে যে । আজ ক-রাত ঘুমোওনি সে খেয়াল আছে ? মাহমুদ মুখের ওপর থেকে হাতখানা সরিয়ে দিলো ওর, কী বললে, লিলি ! তুমি কাঁদতে তাই না ? না, কাঁদবো কেন, হাসতাম। কপট রাগে মুখ কালো করলো লিলি।

তারপর উঠে দাঁড়িয়ে পাকঘরের দিকে চলে গেলো সে। মাহমুদ নাম ধরে বারকয়েক ডাকলো, কিন্তু কোনো সাড়া পেলো না। পাকঘর থেকে থালা-বাসন নাড়ার শব্দ শোনা গেলো। বোধ হয় চুলোয় আঁচ দিতে গেছে লিলি ।
চোখজোড়া বন্ধ করে ঘুমোতে চেষ্টা করলো সে। ঘুম এলো না। বারবার সেই ভয়াবহ ছবিটা ভেসে উঠতে লাগলো ওর স্মৃতির পর্দায়। যেন সবকিছু দেখতে পাচ্ছে সে। সবার গলার স্বর শুনতে পাচ্ছে। মা ডাকছেন তাকে— মাহমুদ বাবা, বেলা হয়ে গেলো । বাজারটা করে আন তাড়াতাড়ি ।

চমকে উঠে চোখ মেলে তাকালো সে। সমস্ত শরীর শিরশির করে কাঁপছে তার। বুকটা দুরুদুরু করছে। ভয় পেয়েছে মাহমুদ। তবু আশেপাশে একবার তাকালো সে। মাকে যদি দেখা যায় । কিন্তু কেউ তার নজরে এলো না। এলো একটা আরশুলা, বইয়ের আলমারিটার ওপর নিশ্চিন্তে হেঁটে বেড়াচ্ছে সেটা। তার দিকে একদৃষ্টে চেয়ে রইল মাহমুদ।

নিচে বরফ গলা নদী  pdf  বই এর স্ক্রীনশট ও ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলোঃ

বরফ গলা নদী pdf বই ডাউনলোড

বইয়ের প্রকাশকঃ  অনুপম প্রকাশনী 
বইয়ের ধরণঃ   উপন্যাস বিষয়ক  
বইয়ের সাইজঃ 7.68 MB 
প্রকাশ সালঃ   
বইয়ের লেখকঃ    জহির রায়হান
অনুবাদকঃ  

ডাউনলোড সার্ভার-১ঃ Download Now

যদি ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হয়। আর ওয়েবসাইটটি আপনার উপকারে কাজে আসলে আপনি একটি শেয়ার করে দিন। শেয়ার করুন সওয়াবের আশায়, কারণ আপনি ভালো কাজে এবং ভালো উদ্দেশ্যে শেয়ার করছেন। আর প্রত্যেক ভালো কাজের বিনিময় আল্লাহ আপনাকে উত্তম বদলা দিবেন।